Results for কোর্টের রায়

সংবিধানের প্রস্তাবনা সংশোধনযোগ্য কি? বিস্তারিত বিশ্লেষণ

ডিসেম্বর ০৩, ২০২৪

সংবিধানের প্রস্তাবনা কি সংশোধন করা যায়? এটি একটি বিতর্কিত বিষয়, যা ৩৬৮ নং ধারার আওতায় বিভিন্নভাবে আলোচিত হয়েছে। সুপ্রিমকোর্ট বিভিন্ন মামলায় এ বিষয়ে ভিন্নমত পোষণ করেছে। এখানে আমরা এই প্রশ্নের উত্তর এবং প্রাসঙ্গিক মামলাগুলোর বিচার বিশ্লেষণ উপস্থাপন করছি।




৩৬৮ নং ধারা অনুযায়ী প্রস্তাবনা সংশোধনের প্রশ্ন

প্রস্তাবনা সংবিধানের কার্যকরী অংশ নয় বলে অনেক সময় দাবি করা হয়। ১৯৬০ সালে বেরুবাড়ি মামলায় সুপ্রিমকোর্ট এমনটাই রায় দিয়েছিল। তবে, ১৯৭৩ সালের ঐতিহাসিক কেশবানন্দ ভারতী বনাম কেরালা রাজ্য মামলায় এই বিষয়ের পুনর্মূল্যায়ন হয়। মামলায় আবেদনকারী যুক্তি দেন যে, সংবিধানের ৩৬৮ নং ধারায় প্রদত্ত সংশোধনের ক্ষমতা সীমাহীন নয় এবং প্রস্তাবনায় উল্লিখিত মৌলিক উপাদান বা নীতিগুলো (basic features) ক্ষতিগ্রস্ত করা যায় না।

অ্যাটর্নি জেনারেল এই যুক্তির বিরোধিতা করেন এবং বলেন যে, প্রস্তাবনা সংবিধানের অবিচ্ছেদ্য অংশ। সুতরাং, ৩৬৮ নং ধারার মাধ্যমে এটি সংশোধন করা সম্ভব।


সুপ্রিমকোর্টের ঐতিহাসিক রায়

কেশবানন্দ ভারতী মামলায় সুপ্রিমকোর্টের রায়ে বলা হয়:

  1. প্রস্তাবনা সংবিধানের অংশ হলেও এটি সংশোধনযোগ্য।
  2. তবে, মৌলিক বৈশিষ্ট্যগুলি (basic features) সংশোধন করা যাবে না।

এই রায়ে সুপ্রিমকোর্ট মন্তব্য করে, "প্রস্তাবনায় উল্লিখিত মৌলিক উপাদানগুলির ওপর ভিত্তি করেই ভারতীয় সংবিধানের কাঠামো দাঁড়িয়ে আছে।"


৪২-তম সংবিধান সংশোধন এবং প্রস্তাবনায় পরিবর্তন

১৯৭৬ সালে ৪২-তম সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে প্রস্তাবনায় 'সমাজতান্ত্রিক', 'ধর্মনিরপেক্ষ' এবং 'সংহতি' শব্দগুলো যোগ করা হয়।

  • এই সংশোধন সংবিধানের মৌলিক আদর্শগুলিকে শক্তিশালী করেছে।
  • যেমন, 'সমাজতন্ত্র' শব্দটি সংযোজন আদালতসমূহকে শিল্পের জাতীয়করণে সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে।

এগুলো প্রমাণ করে, ৪২-তম সংশোধন সুপ্রিমকোর্টের রায়কে সমর্থন করেছিল।


উপসংহার

সংবিধানের প্রস্তাবনা সংশোধনযোগ্য হলেও এর মৌলিক বৈশিষ্ট্য অপরিবর্তনীয়। প্রস্তাবনায় সংযোজিত যে-কোনো পরিবর্তন অবশ্যই সংবিধানের মূল কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে।

 আরও জানতে চান? আমাদের এই সাইট টি সেভ করুন!



সংবিধানের প্রস্তাবনা সংশোধনযোগ্য কি? বিস্তারিত বিশ্লেষণ সংবিধানের প্রস্তাবনা সংশোধনযোগ্য কি? বিস্তারিত বিশ্লেষণ Reviewed by Wisdom Apps on ডিসেম্বর ০৩, ২০২৪ Rating: 5

এখন থেকে বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষিকা ও অশিক্ষক কর্মচারীরাও চাকরীক্ষেত্রে সমস্যার সমাধানে হাইকোর্টে বিচার চাইতে পারবেন

জুন ১৬, ২০২১



কলকাতা: বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষক বা অশিক্ষক কর্মীরাও হাইকোর্টে বিচার চাইতে পারেন না। যেহেতু সেগুলি সরকারি বা সরকার পােষিত নয়। কিন্তু, বিনীতা পটনায়েক পাধি'র মামলায় মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি শেখর ববি শরাফ সাফ জানালেন, শিক্ষার অধিকার আইন ও রাজ্যের ডল্লুবিআরটিই বিধি অনুযায়ী আদালত এমন বিচারপ্রার্থীর অভিযােগের বিচার করতে পারে। সংশ্লিষ্ট সেনা বিদ্যালয়ের আর্জি খারিজ করে দেওয়া এই রায় আগামী দিনে এমন বিদ্যালয়গুলির শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীদের সামনে মাইল ফলক হিসেবে চিহ্নিত হতে চলেছে।

 পানাগড়ের আর্মি পাবলিক স্কুলের প্রিন্সিপাল হিসেবে তিনি কাজ করছিলেন। এই পদে তাঁর শিক্ষানবিশিকালের মেয়াদ বৃদ্ধিও হয়েছিল। আচমকাই তাঁকে সেখানকার চেয়ারম্যান ছাটাই করেন। এভাবে তাঁর মৌলিক ছাড়াও বিধিবদ্ধ কিছু অধিকারও ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে তিনি হাইকোর্টে অভিযােগ করেন। কিন্তু, বিদ্যালয় তথা কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে দাবি করা হয়, এটি যেহেতু অনুদানহীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, তাই কোনওভাবেই বিদ্যালয়টিকে সরকারি তকমা তথা পাবলিক বডি বলা যায় না। যদি কোনও অভিযােগ থাকে, তাহলে মামলাকারীকে দেওয়ানি আদালতে যেতে হবে, হাইকোর্টে নয়। জবাবে মামলাকারীর আইনজীবী সােনাল সিনহা জানান, শিক্ষার অধিকার আইন অনুযায়ী রাজ্য যে বিধি তৈরি করেছিল, সেটি রাষ্ট্রপতির সম্মতি পেয়েছে। কলকাতা গেজেটেও তা প্রকাশিত হয়েছে। কিন্তু, সেই সূত্রে কোনও নির্দেশিকা এখনও বেরয়নি। ফলে সেটি এখনও আইন নয়। যদি তা হতাে, তাহলে সেই সূত্রে  মামলাকারী সেই আইন গঠিত কমিশনে [ওয়েস্ট বেঙ্গল অনুযায়ী অ্যাডমিনিষ্ট্রেটিভ (অ্যাডজুটিকেশন অব স্কুল ডিসপিউটস) কমিশন অ্যাক্ট, ২০০৮] বিচার চাইতে পারতেন। সেই সুযােগ না থাকায় এবং সুপ্রিম কোর্টের রায় অনুযায়ী তিনি হাইকোর্টেই বিচার চাইতে পারেন।

 এই প্রেক্ষাপটে আদালত তার অন্তর্বত্তী রায়ে বলেছে, সংবিধান অনুযায়ী বিদ্যালয়টির কাজ বিচারযােগ্য। যেহেতু সেটি শিক্ষার অধিকার আইন অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছে। ফলে ওই বিদ্যালয় ও মামলাকারীর মধ্যে চাকরি সংক্রান্ত যে চুক্তি হয়েছিল, তা এই আদালত খতিয়ে দেখতে পারে। তাই চার সপ্তাহের মধ্যে অভিযুক্ত পক্ষকে হলফনামা দিয়ে অভিযােগের জবাব দিতে হবে। অন্যদিকে, এই মামলার জেরে ওই পদে নতুন যিনি এসেছেন, তাঁর স্বার্থও যেহেতু জড়িয়ে থাকবে, তাই তাঁকেও এই মামলায় যুক্ত করতে হবে। 


তথ্যসূত্রঃ বর্তমান পেপার 

এখন থেকে বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষিকা ও অশিক্ষক কর্মচারীরাও চাকরীক্ষেত্রে সমস্যার সমাধানে হাইকোর্টে বিচার চাইতে পারবেন এখন থেকে বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষিকা ও অশিক্ষক কর্মচারীরাও চাকরীক্ষেত্রে সমস্যার সমাধানে হাইকোর্টে বিচার চাইতে পারবেন Reviewed by Wisdom Apps on জুন ১৬, ২০২১ Rating: 5

লোকসমক্ষে গালাগালি করলে ১ মাসের জেল বা ২০০টাকা জরিমানা - সাজা পেলেন উকিল

জুন ১৪, ২০২০

১৪ই জুন তামিলনাড়ুর থুঠুকুডি জেলার লোকাল কোর্টে একটি কেসের নিস্পত্তি হচ্ছিল । কোভিড -১৯ প্যান্ডেমিকের কারনে এই কেসের মীমাংসা হচ্ছিল সম্পূর্ণ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে । কোর্টের জজ ও অন্যান্য উকিলেরাও লাইভ ভিডিওর মাধ্যমে আলাপ আলোচনা চালাচ্ছিলেন । এরই মাঝখানে অ্যাডভোকেট স্যামোয়েল রাজেন্দ্র হঠাত খুব নিম্নমানের একটি গালাগালি দিয়ে ফেলেন । গালাগালিটি  আঞ্চলিক ভাষার অত্যন্ত কুরুচিকর একটি কথা । এই সময় জজ সাহেব মনোযোগ দিয়ে আসামীর বেইল অ্যাপিল শুনছিলেন । তিনি চমকে ওঠনে এবং খুব রেগে যান । 
অ্যাডভোকেট স্যামোয়েল এই কোর্টের একজন গণ্যমান্য উকিল হয়েও কিভাবে কোর্টকে এমন অপমানজনক কথা বললেন এই ভেবে জজ আশ্চর্য হয়ে যান । প্রায় ৩০ বছর ধরে অ্যাডভোকেট স্যামোয়েল এই কোর্টে তার ওকালতির চর্চা করে চলেছেন । এধরনের অবভ্য আচরণের আগে কখনো করেননি । আজ কি কারনে তিনি এইভাবে অকথ্য ভাষায় কোর্টকে গালি দিলেন সেটা জানতে চাইলে অ্যাডভোকেট স্যামোয়েল জানান - " তিনি  বাড়ি থেকে লাইভ ভিডিও কলের মাধ্যমে কেস লড়ছেন । আসামীর বেইল অ্যাপিল চলা কালীন ওনার বাড়িতে কিছু সমস্যা হয় এবং সেই কারনে তিনি বাড়ির লোককে গালি দেন । কাজেই গালিটি কোনোভাবেই কোর্টের উদ্দেশ্যে দেওয়া হয়নি । অন্য কারোর উদ্দেশ্য দেওয়া  । তিনি ভুলে গেছিলেন যে কোর্টে লাইভ সেসন চলছে । " 

তার এই ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট না হয়ে বিচারপতি অ্যাডভোকেট স্যামোয়েলকে " intentional insult " অফ দা কোর্টের দোষী সাব্যস্ত করেন এবং ভারতীয় ২০০ টাকা জরিমানা ধার্য করেন , জরিমানা না দিলে ১ মাসের হাজতবাসের বিধানও দেন । 

বিচারপতির মতে , যে অকথ্য ভাষা উনি ব্যবহার করেছেন তা একজন অশিক্ষিত মূর্খ মানুষও ব্যবহার করতে লজ্জা পাবে । একজন উকিল হয়ে জনসমক্ষে এমন ভাষা ব্যবহার করার কারনে তাকে এই জরিমানা অন্যথায় হাজতবাসের সাজা দেওয়া হল । আশাকরি এই ধরনের ভাষার ব্যবহার জনসমক্ষে আর কখনো তিনি করবেন না । 


তথ্যসূত্রঃ 

https://www.livelaw.in/news-updates/contempt-tamil-nadu-court-imposes-fine-on-advocate-for-using-filthy-language-during-hearing-via-videoconferencing-read-order-158313
লোকসমক্ষে গালাগালি করলে ১ মাসের জেল বা ২০০টাকা জরিমানা - সাজা পেলেন উকিল লোকসমক্ষে গালাগালি করলে ১ মাসের জেল বা ২০০টাকা জরিমানা - সাজা পেলেন উকিল Reviewed by Wisdom Apps on জুন ১৪, ২০২০ Rating: 5

ভারতে বহু আসামীদের কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হবে -কিন্তু কেন ? জেনে নিন

নভেম্বর ২৯, ২০১৯
জাতীয় অপরাধ রেকর্ডস ব্যুরো অনুসারে, ভারতীয় জেলখানা গুলিতে কয়েদী রাখার ক্যাপাসিটি যেখানে ৩.৯১ লক্ষ সেখানে বর্তমানে সমস্ত জেলখানা মিলিয়ে  ৪.৫০ লাখের বেশী বন্দী আছেন । অর্থাৎ কারাগারের ধারন ক্ষমতার ১১৫.১% বেশী কয়েদী উপস্থিত । এই কারনে অসংখ্য আসামীদের মুক্তি দেওয়া হবে ।





ইউনিয়ন ল'মিনিস্টার শ্রী রবি শঙ্কর প্রসাদ  গত বৃহস্পতিবার রাজ্য সভায় জানান - তিনি ২৫টি হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিদের কাছে আপিল করেছেন -আন্ডারট্রায়ালে থাকা আসামী অর্থাৎ যারা জেলে বন্দী থাকলেও তাদের কেস এখনও চলছে তাদের মধ্যে যে সমস্ত আসামী তাদের প্রস্তাবিত সাজার ৫০% সাজা কাটিয়ে ফেলেছেন তাদের যেন জেল থেকে মুক্তি দেওয়া হয় ।

কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদের মতে এই পদ্ধতি প্রয়োগ করে দেশের কারাগারগুলিতে বোঝা হ্রাস করার ও কারাগার গুলির সংস্কার প্রক্রিয়ার কাজ সহজ করা হবে ।

মিস্টার প্রসাদ আরো জানান যে - অপরাধীদের মমলা গুরুতর হলে সেখানে ছাড়া পাওয়ার সম্ভাবনা খুব কম হবে , কেবলমাত্র সেই সমস্ত মামলা যেখানে অপরাধীর অপরাধ নগন্য অর্থাৎ আসামী গুরুতর অপরাধী নয় ,  তাদের মুক্তি দিতে হবে। অবশ্য এই পদ্ধতিতে  মুক্তির বিষয়টি কতটা সম্ভব, তা কেবল এবং কেবলমাত্র বিচার বিভাগই ঠিক করতে পারবে । বিচার বিভাগের সিদ্ধান্তের উপরেই সমস্ত ব্যাপারটা নির্ভর করছে ।  তবে যদি কোনো বিচারাধীন আসামী কারাগার থেকে পালিয়ে গিয়ে থাকে তবে তার ক্ষেত্রে সাজা কমার ব্যাপারে এই জাতীয় ছাড় দেওয়া হবে না ।

মন্ত্রী বিশেষভাবে সেই সমস্ত শিশুদের সমস্যার কথা উল্লেখ করেছেন যাদের মা বিচারাধীন আসামী । মাকে ছাড়া যেসব শিশু থাকতে পারবে না তাদের অনেক সময় মায়ের সাথে কারাগারেই রাখা হয় যেটা শিশুর জন্য খুবই ক্ষতিকর , আবার শিশুকে মায়ের থেকে দূরে রাখাও খারাপ - এই মানবতার বিষয়টি ভেবে দেখার জন্য সমাজের মানুষের কাছে তিনি আবেদন জানিয়েছেন ।
আশাকরা যায় অতি সত্বর এই পদ্ধতি কার্যকর করা হবে  ।


ভারতে বহু আসামীদের কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হবে -কিন্তু কেন ? জেনে নিন ভারতে বহু আসামীদের কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হবে -কিন্তু কেন ? জেনে নিন Reviewed by Wisdom Apps on নভেম্বর ২৯, ২০১৯ Rating: 5

দোকানের কর্মীদের বসার ব্যবস্থা না করলে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা

অক্টোবর ৩০, ২০১৮
কেরলের জামা কাপড়ের দোকানের কিছু কর্মীদের আন্দোলনের জেরে বদলাতে হল Kerala Shops and Establishments Act-এর নিয়ম । কর্মীদের দাবি - দোকানে ১০ /১২ ঘন্টা একটানা কাজ করার সময় বসার কোনো ব্যবস্থা করা হয় না , এমনকি কাজের চাপ থাকলে বাথরুমেও যেতে দেওয়া হয় না । এই সমস্যায় অসুস্থ হয়ে পড়ছেন অনেক কর্মচারী । 
এই সমস্যার সমাধানে কেরল সরকার -" দোকানে উপস্থিত কর্মীদের বসার ব্যবস্থা করতেই হবে " - এমন নিয়ম চালু করার আদেশ দিয়েছেন  । Kerala Shops and Establishments Act অনুযায়ী , " বসার অধিকার " সমস্ত কর্মীদের সমান ভাবে দিতে হবে । 

সাধারনত কেরলের বিভিন্ন দোকানে কর্মীদের কর্ম তৎপরতা বাড়ানোর জন্য দোকানের ভিতরে কোনোরকম বসার ব্যবস্থা রাখা হয়না । বসার ব্যবস্থা থাকলেও তা শুধুমাত্র মালিকের জন্যই রাখা হয় । এমত অবস্থায় , দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দিনে ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা কাজ করা রীতিমত শারীরিক অত্যাচারের সমান বলে মনে করেন কর্মচারীবৃন্দ । জামা-কাপড় , শাড়ীর দোকান , পেট্রোলপাম্প , মোবাইলের দোকান , চশমার দোকান , ওষুধের দোকান - প্রভৃতি ক্ষেত্রে কর্মচারীদের কোনোভাবেই বসার ব্যাবস্থা থাকেনা , এর ফলে কর্মচারীরা বিভিন্ন অসুস্থতার সম্মুখীন হন । এই সমস্যার সমাধান করতে Kerala Shops and Establishments Act-এ ২০১৮ সালে এই সংশোধনটি করা হল । 
নতুন এই নিয়মে বলা হয়েছে - প্রতিটি কর্মীর জন্য উপযুক্ত বসার ব্যবস্থা করতে হবে নতুবা জরিমানা দিতে হবে । এই জরিমানার পরিমান ৫০০০ থেকে বাড়িয়ে ১লক্ষ টাকা করা হয়েছে । যদি দোকানের মালিক তার কর্মীদের বসার ব্যাপারে কোনোরকম ব্যবস্থা না নেন তবে প্রথম বার ১০,০০০ টাকা জরিমানা নেওয়া হবে । দ্বিতীয়বার একই অপরাধ করলে ১ থেকে ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হবে বলে জানিয়েছে কেরল সরকার । 


নতুন নিয়মে এও বলা হয়েছে - রাত্রে কাজ করার ক্ষেত্রে কোনো মহিলাকে একা কাজে রাখা চলবে না । অন্তত ২ জন মহিলাকে একসাথে কাজে রাখতে হবে এবং তাদের সুরক্ষা ও বাড়ি থেকে অফিসে যাওয়া আসার উপযুক্ত ব্যবস্থা করে দিতে হবে ।  



দোকানের কর্মীদের বসার ব্যবস্থা না করলে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা দোকানের কর্মীদের বসার ব্যবস্থা না করলে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা Reviewed by Wisdom Apps on অক্টোবর ৩০, ২০১৮ Rating: 5

লটারীর টিকিটে কি GST দেওয়া উচিৎ ? কি বলছে কোলকাতা হাইকোর্ট ?

অক্টোবর ২১, ২০১৮

"লটারী" - বিক্রি গুডস অ্যান্ড সার্ভিস ট্যাক্স এর আইন অনুযায়ী ট্যাক্স দিতে বাধ্য - জানালো  কোলকাতা হাইকোর্ট । 
সম্প্রতি হওয়া এক পিটিশনে লটারী যে ট্যাক্স মুক্ত তা নিশ্চিত করার জন্য হাইকোর্টের কাছে একটি অনুমতিপত্র চাওয়া হয় । 
কোর্টে দাখিল হওয়া পিটিশানে বলা হয় - লটারী বিক্রেতারা কোনো রকম অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রেতার কাছে হস্তান্তর করে না , সম্পত্তির কোনো সুদ বা অংশও এই ব্যবসায় হস্তান্তর হয় না । তাহলে কোনোভাবেই এই ব্যবসাকে অন্য দ্রব্যাদী বিক্রির ব্যবসার সাথে তুলনা করা চলে না । Goods and Service Tax এর আইন অনুযায়ী ব্যবসায় হয় কোনো " দ্রব্যাদী " অথবা " সার্ভিস " বিক্রি করলে তবেই GST দিতে হবে , কিন্তু লটারী ব্যবসায়ীদের পিটিশনে বলা হয় লটারীর টিকিট কোনোভাবেই " সার্ভিস " বিক্রি করা নয় , এবং টিকিট গুলিকে " দ্রব্যাদি " বা অস্থাবর সম্পত্তি বলা চলে না  , তাহলে কেন লটারী টিকিট বিক্রিতে GST  দিতে হবে ? 
সম্পূর্ণ ব্যাপারটি বিবেচনা করে কোলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি পিটিশনটি সম্পূর্ণ খারিজ করে দিয়েছেন ।  বিচারপতির মতে লটারীর টিকিট অস্থাবর সম্পত্তির একটি অংশ যা সম্পূর্ণ ট্যাক্সের আওতায় পড়ে । বিচারপতি এও উল্লেখ করেন যে সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টের একটি কেসে লটারি টিকিটকে অস্থাবর সম্পত্তি হিসাবে গন্য করা হয়েছে । এছাড়াও বিচারপতি খুব পরিস্কার করে জানিয়ে দেন ভারতীয় সংবিধান মেনেই Goods and Services Council তাদের সিদ্ধান্তগুলি গ্রহন করে । উক্ত কাউন্সিল অনেক বিচার বিশ্লেষণ করে তবেই লটারির টিকিটে ট্যাক্স নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহন করেছে । এই সিদ্ধান্তকে সন্মান জানানো উচিৎ এবং সুপ্রিমকোর্টের সিদ্ধান্তকে মাথায় রেখে লটারিকে 

লটারীর টিকিটে কি GST দেওয়া উচিৎ ? কি বলছে কোলকাতা হাইকোর্ট ? লটারীর টিকিটে কি GST দেওয়া উচিৎ ? কি বলছে কোলকাতা হাইকোর্ট ? Reviewed by Wisdom Apps on অক্টোবর ২১, ২০১৮ Rating: 5

হুঁকার আগুনের জন্যই বন্ধ হল হুকা পার্লার

অক্টোবর ০৯, ২০১৮
হুক্কা পার্লারগুলির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করল মহারাষ্ট্র সরকার . 


মহারাষ্ট্র সরকার রাজ্যের সমস্ত হুকা বৈঠকখানাগুলির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে অক্টোবর মাসের ৪ তারিখ, বৃহস্পতিবার তৎক্ষণাৎ বিলের প্রবর্তন করল।

সরকার, রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের সম্মতি পাবার পর রাজ্য বিধানসভায় হুকা বিরোধী এই বিলটি পাস করে। এই বিল পাশ করার মাধ্যমে মহারাষ্ট্র, গুজরাটের পর দ্বিতীয় রাজ্য হিসাবে হুকা নিষেধাজ্ঞাকারী রাজ্য হিসাবে আত্মপ্রকাশ করলো।

সিগারেট ও অন্যান্য তামাকজাত দ্রব্য(বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধকরন ও ব্যবসা বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ, উৎপাদন, সরবরাহ ও বিতরণ আইন(সিওটিপিএ) - এর সংশোধনরূপে প্রবর্তিত এই বিলে নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গ হলে কারাদণ্ড ও ১ লাখ টাকা জরিমানা ধার্য্য করা হয়েছে। এই বিলটিকে ইতিমধ্যেই রাজ্য পুলিশের আওতায় আনা হয়েছে যাতে তারা এই হুকা নিষিদ্ধকরণ সফল করতে পারেন।

যদিও রাজ্য গৃহদপ্তর শুধুমাত্র হুকা বৈঠকখানা গুলিকে নিয়ন্ত্রণে আনার প্রস্তাব দিয়েছিল, কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবীশ এই বৈঠকখানা গুলিকে সম্পুর্নরূপে নিষেধ করে দেন কারণ ২০১৭ সালের ডিসেম্বর মাসে কমলা মিলে আগুন লেগে 14 জনের মৃত্যুর পেছনে অন্যতম কারণ ছিল হুকায় ব্যবহৃত একটুকরো অঙ্গার।

হুঁকার আগুনের জন্যই বন্ধ হল হুকা পার্লার হুঁকার আগুনের জন্যই বন্ধ হল হুকা পার্লার Reviewed by Wisdom Apps on অক্টোবর ০৯, ২০১৮ Rating: 5

খুন হলেও পলিসির টাকা পাবে নমিনি - NCDRC-র রায়

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০১৮

ভারতের ন্যাশানাল কন্সিউমার ডিস্পিউট রিড্রেসাল কমিশন (NCDRC) , স্পষ্টভাবে জানিয়েছে কোনো ব্যাক্তির লাইফ ইন্সিওরেন্স করা থাকলে , সেই ব্যাক্তি খুন হলেও তাঁর নমিনিকে পলিসির সঠিক প্রাপ্য দিতে হবে । কোনোভাবেই নাকচ করা চলবে না । 



Maharashtra State Consumer Dispute Redressal Commission এর একটি রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিলের উত্তরে NCDRC- এই রায় দিয়েছে । ২০০৯সালে মহারাষ্ট্রের এক মধ্যবয়স্ক লোক আততায়ীদের হাতে খুন হন । ভদ্রলোকের লাইফ ইন্সিওরেন্স পলিসি করা ছিল ২০ লক্ষ টাকার । কিন্তু মৃত্যুর কারন " মার্ডার " দেখিয়ে ইন্সিওরেন্স  কোম্পানি কোনো টাকা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় । এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মৃত ভদ্রলোকের ছেলের করা একটি কেসে মহারাষ্ট্র State Consumer Dispute Redressal Commission - পলিসি হোল্ডারের নমিনিকে ২০ লক্ষের বদলে ২লক্ষ টাকা দেওয়ার রায় দেয় । এই রায়ে অখুশি হয়ে আবেদনকারী ভদ্রলোক NCDRC তে আপিল করেন । 


সমস্ত বিষয়টি ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করে NCDRC সিদ্ধান্ত নেয় - যদি পলিসি করার সময় টার্ম অ্যান্ড কন্ডিশন পেজে আলাদাভাবে উল্লেখ করা না থাকে তাহলে মার্ডার কেসেও পলিসি হোল্ডারের নমিনির সম্পূর্ণ টাকা পাওয়ার অধিকার আছে । NCDRC উক্ত ইন্সিওরেন্স কোম্পানীকে আগামী ৪ সপ্তাহের মধ্যে যুবকের প্রাপ্য সমস্ত টাকা দিয়ে দেওয়ার আদেশ দিয়েছে । 



কমিশনের মতে - একটা পলিসি হোল্ডার কোনো পলিসি কেনার সময় যদি টার্ম  অ্যান্ড পলিসি পেজে মার্ডার এর ক্লেম এর কথা স্পষ্ট ভাবে উল্লেখ না থাকে তাহলে সাধারন ভাবে তিনি মনে করবেন খুন হলেও পলিসির টাকা পাওয়া যাবে । পলিসি কেনার সময় দেওয়া টার্ম অ্যান্ড কন্ডিশন - গুলি পরবর্তীতে পরিবর্তন করলেও চালু পলিসির ক্ষেত্রে সেটি একই থেকে যাবে । 



NCDRC উক্ত ইন্সিওরেন্স কোম্পানীকে ধিক্কার জানিয়ে বলেছেন - " আমরা কাজ করছি উপভোক্তাদের ন্যায়বিচার দিতে , অসমতার বিরুদ্ধে লড়াই করতে । যেখানে একজন উপভোক্তা আপনাদের উপর সম্পূর্ণ বিশ্বাস করে তার পরিশ্রমের আয় আপনাদের হাতে এই ভেবে তুলে দিচ্ছেন যে তার অবর্তমানে তার সংসার ভেসে যাবে না ।  সেখানে আপনারা পলিসি চালু করানোর সময় যা খুশি বলে নিয়ে পরে টাকা ক্লেইম করলে নিজেদের মত যুক্তি খাড়া করে টাকা আটকে রাখছেন - এটা অত্যন্ত লজ্জার বিষয় । " 



খুন হলেও পলিসির টাকা পাবে নমিনি - NCDRC-র রায় খুন হলেও পলিসির টাকা পাবে নমিনি - NCDRC-র রায় Reviewed by Wisdom Apps on সেপ্টেম্বর ২৯, ২০১৮ Rating: 5

আধার কার্ড কোথায় জমা দিতে আপনি বাধ্য আর কোথায় বাধ্য নন - জেনে নিন

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০১৮

একনজরে দেখে নিন সুপ্রিম কোর্টের রায় অনুযায়ী আধার কার্ড কোথায় জমা দিতে আপনি বাধ্য - আর কোথায় জমা না দিলেও হবে 


কোথায় জমা দিতেই হবে - 
১। প্যান কার্ডের সাথে আধার কার্ড লিঙ্ক করাতেই হবে এটা বাধ্যতামূলক । কোন ব্যাক্তি কত আয় করছেন সেটি সঠিক ভাবে বোঝার জন্য এটা প্রয়োজন

২। আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে আধার বাধ্যতামূলক । আগামী সময় থেকে আধার কার্ড না থাকলে কোনোভাবেই আয়কর জমা দেওয়া যাবে না ।

৩। সরকারের বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্পের সুযোগ সুবিধা পেতে বা সরকারি কোনো ভরতুকি পেতে হলে আধার কার্ড আবশ্যিক ।

এবার দেখা যাক , আগে আবশ্যিক বলা হলেও কোর্টের অর্ডার অনুযায়ী কোথায় আধার কার্ড না দিলেও আর কোনো সমস্যা নেই । 

১। ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলার সময় আধার নম্বর বাধ্যতামূলক নয় ।

২। মোবাইলের সিম কেনার সময় আধার কার্ডের জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক নয় ।

৩। অনলাইনে কিছু কেনাকাটার সময় কোম্পানী আপনার আধার চাইতে পারবে না । চাইলেও সেটা অপশনাল অর্থাৎ আপনি দিতেও পারেন , নাও পারেন ।

৪। কোনো চাকরীর পরীক্ষা যেমন - নেট , জয়েন্ট এনট্রান্স - প্রভৃতির ফর্ম ফিলাপের সময় আধার বাধ্যতামূলক নয় ।

৫। স্কুলে ভর্তি করার সময় বাচ্চা বা বাবা মায়ের আধার কার্ড  বাধ্যতামূলক নয় ।

কোর্ট খুব স্পস্ট করে জানিয়েছে , বেসরকারি কোনো সংস্থা কোনোভাবেই আধার কার্ডের জেরক্স বা কার্ড নাম্বার জমা দেওয়ার দাবি করতে পারবে না  । 
আধার কার্ড কোথায় জমা দিতে আপনি বাধ্য আর কোথায় বাধ্য নন - জেনে নিন আধার কার্ড কোথায় জমা দিতে আপনি বাধ্য আর কোথায় বাধ্য নন - জেনে নিন Reviewed by Wisdom Apps on সেপ্টেম্বর ২৮, ২০১৮ Rating: 5

পরকীয়া প্রেম কোনো অপরাধ নয় - সুপ্রিম কোর্টের রায়

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০১৮
পরকীয়া প্রেম সম্বন্ধে ঐতিহাসিক রায় দিল ভারতীয় সুপ্রিম কোর্ট । সংবিধানের ৪৯৭ ধারার অন্তর্গত এই এই মামলার রায়ে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে পরকীয়া প্রেম কোনোভাবেই ফৌজদারি অপরাধ নয় ৷  আজ প্রধান বিচারপতি দীপক মিশ্রের নেতৃত্বে পাঁচ বিচারপতির ডিভিশন্যাল বেঞ্চ এই রায় দিয়েছেন ৷
সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে দু'জন প্রাপ্ত বয়স্কর মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক কোনও সামাজিক আপরাধ নয় তাই এর বিরুদ্ধে কোনও ফৌজদারি মামলা হতেই পারেনা ৷ শীর্ষ আদালত রায়ের ভিত্তিতে জানিয়েছে কখনই পরকীয়া ঘঠিত কারণে স্বামী স্ত্রীকে দোষারোপ বা অভিযুক্ত করে কোনও শাস্তি দিতে পারবেন না ৷ তবে তার মানে এই নয় বিবাহিত জীবনে যে যার মত স্বেচ্ছাচারিতা করতে পারবেন তা নয় ৷ প্রতিটি মানুষরেই স্বাধীন ভাবে জীবন যাপন করার অধিকার আছে ৷
বিচারপতিদের মতে পরকীয়া প্রেম ডিভোর্সের অন্যতম কারন হিসাবে গন্য করা গেলেও দুই প্রাপ্ত বয়স্ক নারী -পুরুষের ভিতরের সম্পর্ককে কোনোভাবেই আইনের ভাষায় অপরাধ বলা চলে না । 
বিচারপতি নারমিন বলেন - " পরকীয়া প্রেমে একজনকে নির্যাতিতা এবং অন্যজনকে নির্যাতনকারী অপরাধীর আখ্যা দেওয়ার প্রাচীন নিয়মটি কোনোভাবেই যুগোপযোগী নয় " । ওনার মতে ৪৯৭ ধারার ব্যাভিচার আইন সংবিধানের ১৪ ও ১৫ নং ধারাকে লঙ্ঘন করে । 

২০১৭ সালের ডিসেম্বর মাসে একটি পিটিশান ফাইল করা হয় যেখানে বলা হয় - ব্যাভিচারের অপরাধে কেবল  পুরুষরাই সাজা পাবে কেন ? একই অপরাধের সমান ভাগী পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে থাকা নারীকেও করতে হবে  । 
এই জানুয়ারী মাসে সাংবিধানিক বেঞ্চের কাছে পিটিশানটি পেশ করা হয় ।প্রধান বিচারপতি দিপক মিশ্রের বেঞ্চ জানায় - পরকীয়া প্রেমকে " বিয়ের পবিত্রতা " রক্ষার দিক দিয়ে অন্যায় মনে করা হবে এবং প্রয়োজনে ডিভোর্স করানো হবে , কিন্তু কোনোভাবেই পরকীয়ায় লিপ্ত স্বামী বা স্ত্রীকে - এই কাজের জন্য সাজা দেওয়া চলবে না । 
পরকীয়া প্রেম কোনো অপরাধ নয় - সুপ্রিম কোর্টের রায় পরকীয়া প্রেম কোনো অপরাধ নয় - সুপ্রিম কোর্টের রায় Reviewed by Wisdom Apps on সেপ্টেম্বর ২৭, ২০১৮ Rating: 5

নিরপরাধ স্বামীদের কথা মাথায় রেখেই পনের-শাস্তি আইনে পরিবর্তন করা হবে

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০১৮
নিরপরাধ স্বামীদের কথা মাথায় রেখেই " পন নেওয়ার শাস্তি  " - আইনের বিস্তর পরিবর্তন করার সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে সুপ্রিম কোর্ট । পন নেওয়া যেমন অপরাধ , পনের জন্য স্ত্রীর উপর মানসিক বা শারীরিক অত্যাচার করাও শাস্তিযোগ্য অপরাধ । বর্তমানে পন পথা বিরুদ্ধ আইনটি সম্পূর্ণ রূপেই নারীর সুবিধা বুঝে তৈরি করা ।  পণের আইনে অনুযায়ী - অত্যাচারিত মহিলাকে সুবিধা দেওয়ার জন্য -মহিলার করা একটি অভিযোগই যথেষ্ট । পুলিশের কাছে করা একটি অভিযোগের ভিত্তিতে কোনো সাক্ষ্য-প্রমান ছাড়াই  পন গ্রহনকারি স্বামী ও তার পরিবারকে গ্রেপ্তার করতে পারে পুলিশ। 
প্রকৃত অত্যাচারিতা নারীর ক্ষেত্রে এই আইনটি উপযোগী হলেও - অনেক অসৎ নারী এই আইনের সাহায্য নিয়ে নিরীহ স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির পরিবারের উপর অত্যাচার চালিয়ে আসছেন । পুলিশে মিথ্যা অভিযোগ করে সবাইকে জেলে পুরে দেবে - এমন ভয় দেখিয়ে নিজের শাসনের ছড়ি ঘুরিয়ে চলেছেন অনেক মহিলা । 
সুপ্রিম কোর্টের মতে - আইনটির থেকে বেশী সমস্যা করে ফেলেছে আইনের রক্ষাকর্তারা । বেশ কিছু ক্ষেত্রে আইনের রক্ষাকর্তা অর্থাৎ পুলিশদের অতিরিক্ত তৎপরতায় অনেক নিরপরাধ স্বামীকে অল্প দিনের জন্য হলেও জেলের আসামী হতে হয়েছে । আইনের সীমারেখায় বাধা থাকার কারনে পুলিশের হাতে উপায়ন্তর থাকে না । অভিযোগ জমা পড়লে সরাসরি জেলে বন্দি করা ছাড়া আর রাস্তা থাকে না । ২০১৭ সালে একটি কেসে দেখা যায় স্বামী সম্পূর্ণ নিরপরাধ , অথচ আইনের প্যাঁচে পড়ে সে জেলের আসামী ;  এই সমস্যার কথা মাথায় রেখে এবং সম্প্রতী বেশ কিছু ভুয়ো কেসের বিচার করতে গিয়ে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে - ২০১৭ সালে দেশের প্রতিটি জেলায় একটি কমিটি গঠন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল যাদের কাজ ছিল পন প্রথা বিরোধী কোনো কেস জমা পড়লে আগে সেটা অনুসন্ধান করে ক্ষতিয়ে দেখা । অপরাধ প্রমানিত হলে তবেই অপরাধীকে গ্রেফতার করার অধিকার পুলিশকে দেওয়া হবে ।  কিন্তু জেলায় জেলায় এমন একটি কমিটি বানানো অনেক সময় সাপেক্ষ ব্যাপার । 
এই কারনে সুপ্রিম কোর্ট সিদ্ধান্ত নিয়েছে - পণের আইনটির কিছু পরিবর্তন করে  নারীদের একচেটিয়া অধিকার কিছুটা খর্ব করে নেওয়া হবে । 

অবশ্য আইনটি নতুন ভাবে কার্যকারী হওয়াটা সময়সাপেক্ষ ব্যাপার । 

নিরপরাধ স্বামীদের কথা মাথায় রেখেই পনের-শাস্তি আইনে পরিবর্তন করা হবে নিরপরাধ স্বামীদের কথা মাথায় রেখেই পনের-শাস্তি আইনে পরিবর্তন করা হবে Reviewed by Wisdom Apps on সেপ্টেম্বর ১৬, ২০১৮ Rating: 5

ভবিষ্যৎবাণী করার অপরাধে জ্যোতিষীকে ৫০০০টাকা জরিমানা করল হাইকোর্ট , কেন ?

আগস্ট ২৫, ২০১৮

" আমি জানতাম ২৬/১১/২০০৮ তে ভারতে উগ্রপন্থী হামলা হবে , আমি সতর্ক করেছিলাম । কেউ শোনেনি " - বললেন T D R Harischandra Gowda -নামের একজন স্বশিক্ষিত জ্যোতিষী ।



T D R Harischandra Gowda - কর্ণাটকের একজন জ্যোতিষী ও ভবিষ্যৎবক্তা ।  নিজের ভবিষ্যৎবাণী করার ক্ষমতার উপর এনার অগাধ বিশ্বাস । এই বিশ্বাসের জেরেই কিছুদিন আগে কর্ণাটক হাইকোর্টে তিনি একটি Public Interest Litigation (PIL) দাখিল করেছিলেন । এই PIL-এ তিনি অভিযোগ করেছেন - ২৬/১১/২০০৮ সালে ভারতে যে উগ্রপন্থী হামলা হয়েছিল সেটা তিনি আগেই ধ্যানযোগে জানতে পেরেছিলেন । তার দিব্যদৃষ্টিতে দেখা এই ঘটনার কথা তিনি থানায় জানান । স্বাভাবিকভাবেই থানা এই অভিযোগ নিতে অস্বীকার করে । এরপর ভদ্রলোক ২৬/১১/২০০০ তারিখে তৎকালীন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী শ্রীভিলাসরাও দেশমুখকে একটি চিঠি লেখেন যেখানে তিনি বলেন - যদি  শ্রী ভেঙ্কটরামনা স্বামীর মন্দিরে একটি বিশেষ পুজো সম্পন্ন করা হয় তাহলে ভারতে ভবিষ্যতে এই উগ্রপন্থী হামলা হবে না । মুখ্যমন্ত্রী এই চিঠির কোনো উত্তর দেননি । 


জ্যোতিষীর কথা অনুযায়ী - এরপর ২০০৫ সালে তিনি ব্যাপারটি নিশ্চিত ভাবে বলেন যে আগামী ২০০৮-এ এরকম ঘটনা ঘটবে । স্বাভাবিক ভাবে স্বপ্ন বা দিব্যদৃষ্টির উপর ভরসা করে কেউ দায়িত্ব নিতে চায়নি । 
তার অভিযোগ -এত কথা শোনার পরেও অথোরিটি সেই সময় কোনো ব্যবস্থা নেয়নি কেন? সেই কারনে এখন সরকারের উচিৎ সেই সব অথরিটির উপর অনুসন্ধান চালানো । 

কর্ণাটক হাইকোর্ট বিষয়টি ভালো করে দেখার পর খুব দ্রূত সম্পূর্ণ PIL টি খারিজ করেছেন । বিচারপতির মতে - যদি ভবিষ্যৎবক্তার নিজের দিব্যদৃষ্টির উপর এত বিশ্বাস ছিল তবে কেন তিনি সেই সময় কোর্টে আপিল করেননি ? ঘটনা ঘটে যাওয়ার ১০ বছর পর তার এই আপিলের কোনো মানে হয় না । 

বিস্তারিত দেখতে গিয়ে কোর্ট জানতে পারে - উক্ত ভদ্রলোক এই ধরনের বেশ কিছু অভিযোগ আগেও করেছেন । কিছুদিন আগে বিধানসভা ভোটের সময়  এই ভদ্রলোক রাজ্যপালকে চিঠি লিখে জানান -তিনি নিজে কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী হতে চান , গভর্নর যেন তাকে শপথ বাক্য পাঠ করার জন্য দ্রূত আমন্ত্রন জানান । এই জাতীয় চিঠি তিনি প্রতিভা পাটিল ও নরেন্দ্র মোদিকেও লিখেছেন । 

হাইকোর্টের বিচারপতির মতে এই জ্যোতিষী কেবলমাত্র ফেমাস হওয়ার জন্য এইসব কাজ করছেন । এই কারনে তিনি জ্যোতিষীকে খুব কড়া ভাবে জানিয়েছেন - ভবিষ্যতে আর কোনোদিনও যেন তিনি এইধরনের PIL দাখিল না করেন । এবং কোর্টের মূল্যবান সময় নষ্ট করার জন্য বিচারপতি  উক্ত জ্যোতিষীকে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে কেরালা বন্যা ত্রান ফান্ডে ৫০০০টাকা দান করতে বলেছেন । 
বিচারপতি বেশ মজার ছলে এও বলেছেন - যদি আপনি কেরালার বন্যার ব্যপারটা আগে থেকে দিব্যদৃষ্টিতে দেখতে পেতেন তাহলে অজস্র মানুষের জীবনের সাথে সাথে আপনার এই ৫০০০ টাকাটাও বেঁচে যেত । 



.
ভবিষ্যৎবাণী করার অপরাধে জ্যোতিষীকে ৫০০০টাকা জরিমানা করল হাইকোর্ট , কেন ? ভবিষ্যৎবাণী করার অপরাধে জ্যোতিষীকে ৫০০০টাকা জরিমানা করল হাইকোর্ট , কেন ? Reviewed by Wisdom Apps on আগস্ট ২৫, ২০১৮ Rating: 5

ধর্মীয় স্থানে দর্শনার্থীদের হয়রান করলে সাজা দেবে কোর্ট - পড়ুন সুপ্রিম কোর্টের রায়

আগস্ট ২৩, ২০১৮
সমস্থ ধর্মীয় তীর্থস্থান ও দাতব্য প্রতিষ্ঠানের বিচার বিভাগীয় নিরীক্ষণ শুরু করলো সুপ্রিমকোর্ট ।




ভারতের বিখ্যাত ধর্মস্থানের মধ্যে বেশিরভাগ স্থানের পরিকাঠামো উন্নত নয় , স্বাস্থ্যব্যবস্থা খারাপ । এর থেকেও বড় সমস্যা হল দর্শনার্থীদের উপর করা হয়রানি । হিন্দু মন্দির গুলিতে যেমন  পুজারী ও পান্ডাদের দাদাগিরি চলে তেমন অন্যান্য ধর্মীয় স্থানগুলিতে অন্যরকমের হয়রানির শিকার হতে হয় সাধারন মানুষকে । বছরের পর বছর ধরে সাধারন মানুষ এই হয়রানি মুখ বুজে সয়ে আসছেন । কিছু প্রতিবাদী মানুষ প্রতিবাদ করেছেন ফলে তাদের হয়রানী আরো চরমে উঠেছে । কিছু মানুষ হাল না ছেড়ে পুলিশ কমপ্লেইন করেছেন । সে সব মামলা অমীমাংসিত অবস্থায় পরে আছে দেশের কোনো না কোনো  কোর্টে । 
সম্প্রতি সুপ্রিমকোর্ট ,পুরীর জগন্নাথদেবের মন্দির-এর বিরুদ্ধে দাখিল হওয়া একটি জনস্বার্থ মামলা খতিয়ে দেখছে । এই মামলায় মন্দির এর সেবকদের বিরুদ্ধে তীর্থযাত্রী দেরকে শোষণ ও হয়রানির অভিযোগ করা হয়েছে। এছাড়াও মন্দির এর ভেতরের আস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং ধর্মের আড়ালে ব্যাবসার চক্রান্ত সম্পর্কে উল্লেখ করা হয়েছে এই মামলায়। 

এই মামলার রায় দিতে গিয়ে সুপ্রিমকোর্ট জানিয়েছে - সমস্ত জেলা আধিকারিকে ধর্মীয় তীর্থস্থান গুলির পরিকাঠামো ও স্বাস্থ্যবিধির ওপর কড়া নজর রাখতে হবে ও সাধারন মানুষের প্রতি হওয়া কোনরকম হয়রানির অভিযোগ থাকলে হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দাখিল করতে হবে । অভিযোগ প্রমানিত হলে আইন অনুযায়ী উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে । 

এই অর্ডার সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান যেমন মন্দির, মসজিদ গির্জা ইত্যাদির ওপর লাগু থাকবে এবং জেলা আধিকারিক দের পেশ করা রিপোর্টের ভিত্তিতে হাইকোর্ট ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান গুলির পরিকাঠামো ও স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে তলব করবে। 

যেখানে ভারতবর্ষের সমস্থ হাইকোর্ট মিলিযে প্রায় তিন কোটি বিভিন্ন মামলা অমীমাংসিত অবস্থায় পড়ে রয়েছে সেই পরিস্থিতিতে এতো বড় একটি কর্মসূচী বিচারবিভাগীয় ক্ষেত্রে চাপ বৃদ্ধি করবে বলে মনে করছেন বিচারপতিদের একাংশ। 




এছাড়া সুপ্রিমকোর্ট এই মামলার রায় দিতে গিয়ে এও জানায় - জগন্নাথ মন্দিরে হিন্দু ধর্ম ছাড়াও অন্য সকল ধর্মের মানুষদের প্রবেশের অধিকার দিতে হবে কারন ,হিন্দু ধর্ম কোনো ধর্মকে ছোট চোখে দেখে না , সব ধর্ম সমান এবং সবাই মানুষ - এটাই হিন্দুত্ববাদের প্রাথমিক মতবাদ । সুপ্রিম কোর্টের আগের দেওয়া কিছু রায়ের উপর ভিত্তি করেই এই নির্দেশ জারি করেছেন বর্তমান বিচারপতিগণ । 


ধর্মীয় স্থানে দর্শনার্থীদের হয়রান করলে সাজা দেবে কোর্ট - পড়ুন সুপ্রিম কোর্টের রায় ধর্মীয় স্থানে দর্শনার্থীদের হয়রান করলে সাজা দেবে কোর্ট - পড়ুন সুপ্রিম কোর্টের রায় Reviewed by All about Nature on আগস্ট ২৩, ২০১৮ Rating: 5

প্রথম দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্র ছাত্রী দের হোমওয়ার্ক নিসিদ্ধ করল মাদ্রাস হাইকোর্ট

আগস্ট ২২, ২০১৮
 মাদ্রাজ হাইকোর্ট Central Board of Secondary Education (CBSE)কে এই মর্মে আদেশ জারি করল যে - যে স্কুল বাচ্চাদের বাড়ির কাজ দেওয়ার ব্যাপারে সরকারি নির্দেশ মেনে চলবে না তাদের উপর কড়া ব্যাবস্থা নেওয়া হবে । কিছুদিন আগে হাইকোর্ট একটি নির্দেশ জারি করে যাতে বলা হয় ১ ও ২ ক্লাসের বাচ্চাদের কোনোরকম হোম ওয়ার্ক বা বাড়ির কাজ দেওয়া যাবে না ।


National Council of Educational Research and Training (NCERT) এর সিলাবাস ও বই এর অনুসরনের জন্য সিবিএসই এর বিরুদ্ধে মাদ্রাস হাইকোর্টে এই নির্দেশ দেওয়া  হয়েছ । এই দিন  মামলা চলা কালিন সিবিএসই একটি  সার্কুলার পেশ করে যাতে উল্লেখ করা আছে যে এর পূর্বে ১৫ সেপ্টেম্বর ২০০৪ ও ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৬ তারিখে ১ ও ২ ক্লাসের বাচ্চাদের কোনোরকম হোম ওয়ার্ক বা বাড়ির কাজ না দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ।

সিবিএসই কত্রিপক্ষ বিশেষ ভাবে বলেছে যে তাদের অনুমদিত স্কুল গুলি নো হোমওয়ার্ক নো ব্যাগ কর্মসূচী নিয়ম মেনেই তাদের পাঠ্য ব্যাবস্থা চালু রেখেছে । এবং পরবর্তী কালে তারা কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ীই তাদের কাজ করবেন।

 সিবিএসই কোর্ট কে জানায় যে তারা এই আইন লঙ্ঘন এর কোন খবর  পেলে তবেই তারা উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহন করে। এই কথায় আদালত সিবিএসই কে উপযুক্ত ব্যাবস্থাপনা না থাকার জন্য তীব্র নিন্দা করে। 
প্রথম দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্র ছাত্রী দের হোমওয়ার্ক নিসিদ্ধ করল মাদ্রাস হাইকোর্ট প্রথম দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্র ছাত্রী দের হোমওয়ার্ক নিসিদ্ধ করল মাদ্রাস  হাইকোর্ট Reviewed by All about Nature on আগস্ট ২২, ২০১৮ Rating: 5

হিন্দু মেয়ে কে বিয়ে করে মুসলিম যুবককে সুপ্রিম কোর্ট এর দ্বারস্থ হতে হল কেন?

আগস্ট ২০, ২০১৮


মোহাম্মদ ইব্রাহীম আর্য আরীয়া নামে এক যুবক  হিন্দু ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন রায়পুরের ২৩ বছর বয়সী যুবতি কে বিবাহ করার জন্য। বিবাহ ভালো ভাবে সম্পন্ন হলেও , এলাকার কিছু ডানপন্থী হিন্দু দল এবং যুবতির পরিবারের লোকজন মিলে জোর পূর্বক তদের বিছেদ ঘটিয়ে দেন। যার ফলে উচ্চ আদালতের দরস্থ হন ঐ যুবক।



ইব্র‌‌াহীম আদালতে জানান সে হিন্দু ধর্ম গ্রহন করা সত্তেও তাদেরকে জোর পূর্বক আলাদা করে দেওয়া হয়। তিনি তার স্ত্রী কে আদালতে হাজির ও তার ইচ্ছা শোনার জন্য আবেদন জানান। সুপ্রীম কোর্ট তার আবেদন মন্জুর করে এবধামতারী (ছতিশগড়) থানার পুলিশ কে আগামী  ২৭/০৮/২০১৮ তারিখ এ তার স্ত্রী কে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেয়। এছাড়া আদালত আবেদন কারিকে এও সতর্ক করে,  যদি তার স্ত্রী এই বিবাহ সম্পর্কে কোনরকম আপত্তি জানায় তহলে তখনি আপিল টি বাতিল করা হবে।
ঐ দম্পতী প্রথমে হিন্দু  ধর্মের রিতি অনুযায়ী রাইপুরের আর্য সমাজ মন্দির এ বিবাহ  করে । পরবর্তী তে তারা তাদের বিবাহ নতিভুক্ত করে রাইপুর পুরো সভাতে । যদিও মেয়েটি তার বিবাহ পরিবারের কাছে গোপন রেখেছিল।

আবেদন কারি আরও দাবি করেন ,যুবতি র পিতার প্রভাবশলী ব্যাকগ্রাউন্ড এর কারনে তাকে তার পিতা মাতার বাড়িতে জোর করে নিয়ে যাওয়া হয় এবং একটি মিথ্যা বিবৃতি রেকর্ড করে রাখা হয় যাতে বোঝা যায় মেয়েটি তার স্ব ইছায় পিতা মাতার গৃহে রয়েছে ।

এর আগে ছত্তিশগড় হাইকোর্ট একই মামলা চলা কালীণ মেয়েটি স্বীকার করে সে তার নিজের ইচ্ছায় বিয়ে করেছিল ও তার সাথে থাকতে চেয়েছিল ।কিন্তু মেয়েটির মা আদালতে আত্ম হত্যার হুমকি দিয়ে মেয়ে কে নিজের কাছে রাখার অনুমতি দিতে বাধ্য করেন । 

হিন্দু মেয়ে কে বিয়ে করে মুসলিম যুবককে সুপ্রিম কোর্ট এর দ্বারস্থ হতে হল কেন? হিন্দু মেয়ে কে বিয়ে করে মুসলিম যুবককে সুপ্রিম কোর্ট এর দ্বারস্থ হতে হল কেন? Reviewed by All about Nature on আগস্ট ২০, ২০১৮ Rating: 5

ATM থেকে টাকা তোলায় চার্জ কাটা উচিৎ ? কি বলছে হাইকোর্ট ?

আগস্ট ১৮, ২০১৮
রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার গাইডলাইন অনুযায়ী কোনো গ্রাহক মাসে সর্বোচ্চ ৫ বার বিনা শুল্কে  ATM লেনদেন করতে পারেন । ৫ বার পর্যন্ত লেনদেনে কোনোরকম চার্জ কাটা হয় না । কিন্তু যদি এই  লেনদেনের পরিমানের মাসে ৫ বারের বেশি হয় তাহলে যে ব্যাঙ্কের ATM কার্ড , সেই ব্যাঙ্ক প্রতি লেনদেনে ₹২০ কেটে নেয় । 

"নিজের টাকা ব্যাঙ্কে রেখে সেই টাকা তুলতে গিয়ে কেন শুল্ক দিতে হবে ?" এই দাবিতে দিল্লি হাইকোর্টে কিছুদিন আগে একটি Public Interest Litigation (PIL) ফাইল হয় । এই PIL -এ দাবি রাখা হয় -  যে ব্যাঙ্কের ATM কার্ড সেই ব্যাঙ্কের ATM থেকে ৫ বারের বেশি টাকা তুললেও কোনোরকম চার্জ যেন না কাটা হয় । PIL-এ এও জানানো হয় , পৃথিবীর বেশিরভাগ উন্নতিশীল দেশে যে ব্যাঙ্কের ATM কার্ড সেই ব্যাঙ্কের ATM থেকে অগুনতি বার টাকা লেনদেন করা যায় - কোনো চার্জ কাটে না , তাহলে ভারতে কেন টাকা কাটার নিয়ম রাখা হয়েছে ? 



 PIL-এ এও বলা হয় - ভারতের কিছু ব্যাঙ্ক এবং ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্ক অ্যাসোসিয়েশানের অনুরোধে RBI -এই চার্জটি শুরু করেছে । সমস্ত ব্যাঙ্কের সাথে আলোচনা না করেই প্রতিটি গ্রাহকের উপর এই অতিরিক্ত করের বোঝা চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে । এটি অত্যন্ত খামখেয়ালী ও অনুপযুক্ত চিন্তাধারার প্রকাশ ।  PIL- আবেদনকারীর মতে RBI-এর এই নিয়মটি সম্পূর্ণ বৈষম্যমূলক ও জনকল্যাণ-কারী নয় ফলে সত্বর এই চার্জটি তুলে নেওয়া হোক ।
সমস্ত বিষয়টি খতিয়ে দেখে দিল্লি হাইকোর্ট রায় দিয়েছে - প্রতিটি ব্যাঙ্কের নিজস্ব কিছু খরচা থাকে যা সচারচর সাধারন মানুষের চোখে পড়ে না ।যেমন - ATM ঘরটির ভাড়া , কারেন্টের খরচা , ATM-গার্ড এর মাইনে প্রভৃতি। ব্যাঙ্কের নিজস্ব টাকা থেকে এই সমস্ত খরচ চালানো বেশ কঠিন হয়ে পড়ে । সেই হেতু ব্যাঙ্ক ATM লেনদেন বাবাদ যে টাকা কাটে সেটা বৈধ এবং এটাকে বন্ধ করা সম্ভব নয় । এই রায়ের সাথে সাথে বিচারপতিদের বেঞ্চ উক্ত PIL-টিকে সম্পূর্ণ রূপে খারিজ করে দিয়েছেন । 




ATM থেকে টাকা তোলায় চার্জ কাটা উচিৎ ? কি বলছে হাইকোর্ট ? ATM থেকে টাকা তোলায় চার্জ কাটা উচিৎ ?  কি বলছে হাইকোর্ট ? Reviewed by Wisdom Apps on আগস্ট ১৮, ২০১৮ Rating: 5

শ্বশুর শ্বাশুড়ির সাথে খারাপ ব্যাবহার করলে শ্বশুরবাড়িতে থাকার কোনো অধিকার নেই

আগস্ট ১২, ২০১৮
দিল্লির এক গৃহবধুর আবেদন খারিজ করার পর দিল্লী হাই কোর্ট রায় দিল - " যে পুত্রবধূ শ্বশুর শ্বাশুড়ির সাথে খারাপ ব্যাবহার করে শ্বশুরবাড়িতে থাকার তার কোনো অধিকার নেই " 






Delhi Maintenance and Welfare of Parents and Senior Citizens (Amendment) Rules, ২০১৬ অনুযায়ী , সন্তান সন্ততি অথবা বৈধ উত্তরাধিকারী যদি খারাপ ব্যাবহার করে তাহলে সেই সন্তান বা উত্তরাধিকারীকে  সম্পত্তি থেকে সম্পূর্ণ রূপে বহিষ্কার করার অধিকার আছে সিনিয়ার সিটিজেনদের । 



এই নিয়মে পুত্রবধূর কথা উল্লেখ না থাকলেও বিচারপতিদের মতে - এই নিয়মটির মধ্যে পুত্রবধূর খারাপ ব্যাবহারের সমাধান না থাকলে নিয়মটি দুর্বল হয়ে যাবে এবং  এর আসল উদ্দেশ্যই সাধন করা সম্ভব হবে না । 

বেশ কিছুদিন আগে উক্ত মহিলার স্বামীর অভিযোগ পাওয়ার পর  ডিসট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেট মহিলাকে আদেশ দেন - যত সত্বর সম্ভব শ্বশুর বাড়ি ছেড়ে অন্য কোথাও চলে যাওয়ার । এই অর্ডারকে চ্যালেঞ্জ করে ভদ্রমহিলা হাইকোর্টে আর্জি জানান ।অনুসন্ধান করতে গিয়ে বিভিন্ন সাক্ষ্য প্রমান উঠে আসে যাতে প্রমানিত হয় - শ্বশুর বা শ্বাশুড়ি পুত্রবধূর উপর অত্যাচার করে না, বরং পুত্রবধূ স্বয়ং অত্যন্ত অত্যাচারী । কিছু সিসিটিভি ফুটেজে স্পষ্ট দেখা যায় - কীভাবে ঐ মহিলা তার শ্বাশুড়িকে মারধোর করছেন । শ্বশুরের সাথে গালিগালাজ গিয়ে কথা বলা ও বাথরুমে তালা বন্ধ করে আটকে রাখার প্রমাণও পাওয়া যায় ভিডিও থেকে । ডাক্তারদের পরীক্ষায় স্পষ্ট প্রমান হয়েছে - বয়স্ক শ্বশুর শ্বাশুড়ি বহুদিন ধরে শারীরিক অত্যাচারের শিকার । 

বিয়ের কিছু কাল পর থেকেই স্বামির সাথে বনিবনা হত না ভদ্রমহিলার । ৭৫ বছর বয়স্ক বাবা -মায়ের সেবা করতে বলায় বহুবার স্ত্রীর অকথ্য গালিগালাজ শুনেছেন ভদ্রলোক । বহুদিন চুপ থাকার পর ক্রমশ প্রমান জোগাড় করা শুরু করেন । কাউকে না জানিয়ে বাড়ির বিভিন্ন কোনায় কয়েকটি সিসিটিভি ইন্সটল করেন । সেই লোকানো ক্যামেরার দৌলতেই ধরা পড়েছে এই অমানুষিক  অত্যাচারের দৃশ্য । এই সমস্ত প্রমানের ভিত্তিতে কোর্টে ডিভোর্স ফাইল করেছেন ওই মহিলার স্বামী । 

কোর্ট সমস্ত বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখে রায় দিয়েছে - ভদ্রমহিলা যেন সত্বর শ্বশুরবাড়ি ত্যাগ করেন এবং তার স্বামীকে বলেছে - মহিলার জন্য আলাদা থাকার ব্যবস্থা ও খোরপোষের বন্দোবস্ত করতে । 
শ্বশুর শ্বাশুড়ির সাথে খারাপ ব্যাবহার করলে শ্বশুরবাড়িতে থাকার কোনো অধিকার নেই শ্বশুর শ্বাশুড়ির সাথে খারাপ ব্যাবহার করলে শ্বশুরবাড়িতে থাকার কোনো অধিকার নেই Reviewed by Wisdom Apps on আগস্ট ১২, ২০১৮ Rating: 5

শিশু হত্যা কারী মহিলাকে নির্দোষ ঘোষণা করলো হাই-কোর্ট , কেন ?

আগস্ট ০৭, ২০১৮
কিছুদিন আগে একজন মহিলা ৩টি নিষ্পাপ শিশুকে ধাক্কা দিয়ে কুয়োয় ফেলে দিয়েছিলেন ।এই তিনজনের মধ্যে দুজনকে বাঁচানো গেলেও তৃতীয় শিশুটির জলে ডুবে মৃত্যু হয়েছিল । ঘটনার সত্যতা সম্পূর্ণ ভাবে প্রমানিত হওয়ার পর ট্রায়াল কোর্ট মহিলাকে ভারতীয় দন্ডবিধির sections 302, 307 প্রভৃতির উপর ভিত্তি করে আজীবন কারাদন্ড ও ১০০ টাকা ও ৪০০ টাকা জরিমানা করে । 
মহিলার উকিল রাজস্থান হাইকোর্টে আবেদন করেন । তিনি জানান ,  ইচ্ছাকৃত  ভাবে তিনি বাচ্চাদের কুয়োয় ফেলে দেননি ।  PMS এর যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে তিনি এমনটা করেছেন ।  PMS হল insanity triggered from Premenstrual Stress Syndrome অর্থাৎ মহিলাদের ঋতুস্রাব হওয়ার আগে হরমোনাল কারনে হওয়া চরম যন্ত্রণা যা মানসিক রোগের রূপ নিতে পারে । 
এই মহিলা হাইকোর্টের কাছে জানান , তিনি এই  Premenstrual Stress Syndrome এর কঠিন যন্ত্রণা প্রতিমাসে ভোগ করেন । এই সময় তিনি অত্যন্ত আক্রমনাত্মক হয়ে ওঠেন । মাসিক বা ঋতুস্রাব শুরু হওয়ার কয়েকদিন আগে থেকে এই ব্যাথা শুরু হয় এবং সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে । 
তিনজন ডাক্তার পরীক্ষা করে দেখেন এবং নিশ্চিত করেন এই মহিলা এই রোগের শিকার ।ডাক্তাররা আরো জানান - এই রোগের শিকার মহিলারা মাসের নির্দিষ্ট সময়ে যন্ত্রণার সাথে সাথে মানসিক ভারসাম্যহীনতার শিকার হন । এই সময় অত্মহত্যার প্রবনতা বাড়ে , কেউ কেউ চরম ভাবে আক্রমনাত্মক হয়ে ওঠেন । 
 ডাক্তাররা নিশ্চিত করার পর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে বিচারপতিদের একটি বেঞ্চ মহিলার পক্ষে রায় দেন । মহিলাকে নির্দোষ ঘোষণা করে রাজস্থান হাইকোর্ট । কোর্ট জানায় - শিশু হত্যার মত একটি অপরাধের কোনো ক্ষমা হয়না । কিন্তু এই মহিলা শারীরিক ও মানসিক রোগের শিকার হয়ে তার অজ্ঞাতসারে এই কাজ করেছেন । ভারতীয় আইনে PMS সম্বন্ধে কোনো নির্দিষ্ট বিধান দেওয়া নেই । কিন্তু এই ঘটনাকে আর অপরাধ বলা চলে না । রোগের বশবর্তী হয়ে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে এমন কাজ করায় এটিকে দুর্ভাগ্যজনক দুর্ঘটনা বলেছেন বিচারপতিরা । 
শিশু হত্যা কারী মহিলাকে নির্দোষ ঘোষণা করলো হাই-কোর্ট , কেন ? শিশু হত্যা কারী মহিলাকে নির্দোষ ঘোষণা করলো হাই-কোর্ট , কেন ? Reviewed by Wisdom Apps on আগস্ট ০৭, ২০১৮ Rating: 5

বাচ্চাদের পিঠে ভারি-ব্যাগ সমস্যা সমাধানে - Right to Education Act ও NCPCR এর নতুন সিদ্ধান্ত

আগস্ট ০৫, ২০১৮
ছোট  ছোট শিশুদের পিঠে ভারি ভারি স্কুল ব্যাগ ,শহর হোক বা গ্রাম ,নাম করা যে কোনো স্কুলের সামনে দাড়ালেই এমন দৃশ্য চোখে পড়বে ।স্কুলে প্রতিদিন প্রায় প্রত্যেকটি বিষয়ের একটি প্রিয়ড থাকে, সেই বিষয়ের বই , সাথে ক্লাস নোট ও হোমওয়ার্কের খাতা । এছাড়াও ব্যাগে জলের বোতল , টিফিন বক্স , পেন্সিল বক্স , রং , ছাতা এসব তো থাকেই । এই সব বয়ে নিয়ে প্রতিদিন স্কুলে যাওয়া আসা - অনেকটা বিনা পারিশ্রমিকে শিশু শ্রমের মতই মনে হয় । এই ব্যাগ বয়ে নিয়ে যাওয়ার ফল ভোগ করতে হয় শিশুকেই। পিঠ ব্যাথা , মেরুদন্ডে সমস্যা সৃষ্টি হওয়া -এমন দীর্ঘমেয়াদী সমস্যা তৈরি করে দিতে পারে এই পরিশ্রম ।
 সমস্যা হল - Right to Education Act -এ পড়াশুনা নিয়ে অনেক নিয়ম কানুন লেখা হলেও পিঠের ব্যাগ বা ব্যাগের ওজন নিয়ে কিছু লেখা নেই । এই কারনেই National Commission for Protection of Child Rights (NCPCR) চিন্তাভাবনা করছে খুব শীঘ্রই Right to Education Act -এ এই বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হবে । 
কমিশন প্রস্তাব করেছে - ভারি স্কুল ব্যাগের বিরূদ্ধে একটি বৈধ আইনানুগ ব্যাবস্থা তৈরি করা হবে , এই ব্যাবস্থার মাধ্যমে প্রতিটি স্কুলকে একটি একটি নতুন এডুকেশনাল প্ল্যান পাঠানো হবে যেখানে সারা মাসের রুটিন এমন ভাবে করতে বলা হবে যাতে প্রতিদিন সব বিষয় পড়াতে না হয় । হোমওয়ার্ক , ক্লাস ওয়ার্ক প্রভৃতি আলাদা খাতা করা বা অতিরিক্ত বই আনার পদ্ধতিকেও নিয়ন্ত্রিনে আনার চেষ্টা করতে হবে । 
কমিশন প্রতিটি স্কুলকে সাজেস্ট করেছে -পড়াশুনাটাকে সম্পূর্ণ পাঠ্য বই নির্ভর না করতে । 

বাচ্চাদের পিঠে ভারি-ব্যাগ সমস্যা সমাধানে - Right to Education Act ও NCPCR এর নতুন সিদ্ধান্ত বাচ্চাদের পিঠে ভারি-ব্যাগ সমস্যা সমাধানে -  Right to Education Act ও NCPCR এর নতুন সিদ্ধান্ত Reviewed by Wisdom Apps on আগস্ট ০৫, ২০১৮ Rating: 5

কুরকুরে -তে কোনোরকম প্লাস্টিক জাতীয় পদার্থ নেই - দিল্লী হাই কোর্টের রায় - পড়ে নিন

জুলাই ২৮, ২০১৮


কুরকুরেতে কোনো প্লাস্টিক নেই । কুরকুরেতে প্লাস্টিক থাকার গুজবকে ইন্টারনেট থেকে সম্পূর্ণ মুছে ফেলার আদেশ দিল দিল্লি হাই কোর্ট । 

ভারতে বিক্রিত সবচেয়ে বিখ্যাত স্ন্যাক্স হল কুরকুরে । পেসসি কোম্পানীর এই মুখোরোচক প্রোডাক্টটি বেশ কিছু মাস যাবত একটি গুজবের শিকার হয়ে চলেছে । হোয়াটসঅ্যাপ এর মেসেজ , ফেসবুক পেজে ও পোস্টে,  বিভিন্ন ব্লগ ও ওয়েবসাইট এবং ইউটিউবের ভিডিওতেও দেখানো হয়েছে কুরকুরেতে প্লাস্টিক আছে । স্বাভাবিক ভাবেই বাচ্চাদের কে কুরকুরে খাওয়ানো কতটা সেফ সেই নিয়ে প্রশ্ন ওঠা শুরু করেছে । প্রথমদিকে পেপসি কোম্পানী এব্যাপারে তেমন কোনো গুরুত্ব না দিলেও চলতি বছরে এই গুজবের চোটে কুরকুরে বিক্রিতে বেশ মন্দা দেখা দিয়েছে । 
তাই ,এই গুজবকে সম্পূর্ণভাবে মুছে ফেলার জন্য পেপসি কোম্পানী দিল্লী হাইকোর্টের কাছে একটি আবেদন করে । যেখানে বলা হয় - অন্যান্য আর পাঁচটা স্ন্যাক্সের মত কুরকুরে চাল ও পাপড় দিয়ে তৈরি , আর এই রকমরে সব স্ন্যাক্স একই রকম ভাবে আগুনে পুড়বে । 
কোর্ট সম্পূর্ণ বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখে রায় দিয়েছে - কুরকুরে একটি সেফ স্ন্যাক্স , এটি চাল , পাপড় , মশলা ইত্যাদি দিয়ে তৈরি , এতে কোনোরকম প্লাস্টিক নেই  । 
পেপসি কোম্পানী বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া ও নিউজ চ্যানেলের বিরুদ্ধে ২.১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে । 
কোর্ট এও জানিয়েছে যে - ফেসবুক, টুইটার  এবং অন্যান্য ওয়েবসাইট থেকে কুরকুরে নিয়ে লেখা মিথ্যা গুজবের সমস্ত পোস্ট মুছে ফেলতে হবে  এবং  ইউটিউবে এই ধরনের সমস্ত ভিডিও ডিলিট করতে হবে অনথ্যায় কোর্ট আইনানুগ ব্যাবস্থা নেবে । 
অবশ্য কোর্ট পেপসি কোম্পানীকে জানিয়েছে - কোনো প্রোডাক্টের দুর্নাম হতে থাকলে কোম্পানীর দ্বায়িত্ব সেই গুজবকে শুরুতেই আটকে দেওয়ার চেষ্টা করা । 
কুরকুরে -তে কোনোরকম প্লাস্টিক জাতীয় পদার্থ নেই - দিল্লী হাই কোর্টের রায় - পড়ে নিন কুরকুরে -তে কোনোরকম প্লাস্টিক জাতীয় পদার্থ নেই - দিল্লী হাই কোর্টের রায় - পড়ে নিন Reviewed by Wisdom Apps on জুলাই ২৮, ২০১৮ Rating: 5
Blogger দ্বারা পরিচালিত.